ছোটবেলায় সব খেত এমন অনেক শিশু হঠাৎ সবজি ফিরিয়ে দেয়, প্রতিদিন একই খাবার চায় বা কোনো কোনো বেলায় খুব কম খায়। এটি খুব সাধারণ। এক বছরের পর বৃদ্ধির গতি কমে, তাই খিদেও প্রায়ই কমে যায়; আর নতুন খাবারে দ্বিধা একটি স্বাভাবিক পর্যায়।
দায়িত্বের একটি সহায়ক ভাগ
শিশুখাদ্য বিশেষজ্ঞ এলিন স্যাটার একটি সহজ ভাগের কথা বলেন। বড়রা ঠিক করবেন কী খাবার, কখন ও কোথায় দেওয়া হবে। শিশু ঠিক করবে খাবে কি না, আর কতটা খাবে। এতে খাওয়ার সময়ের যুদ্ধ কমে, আর এক বেলা কম খেলেও বেশিরভাগ শিশু পুরো সপ্তাহে যথেষ্ট খায়।
যা সাহায্য করে
- নতুন খাবার বারবার দিন। অনেক শিশু একটি খাবার গ্রহণের আগে তা বহুবার দেখে ও চেখে দেখে। পরিচিত খাবারের পাশে অল্প একটু দিলেই যথেষ্ট।
- একসঙ্গে খান। বড়দের তৃপ্তি নিয়ে খেতে দেখে শিশু শেখে।
- খাবার ও নাশতার সময় নিয়মিত রাখুন, যাতে শিশু খিদে নিয়ে আসে, কিন্তু খুব ক্লান্ত না থাকে।
- খাবারের মাঝে দুধ ও জুস সীমিত রাখুন। পানীয়তে পেট ভরলে খাবারের খিদে কমে।
- সাহায্য করতে দিন। সবজি ধোয়া বা নাড়াচাড়া করলে খাবার বেশি পরিচিত হয়।
- খাওয়ার সময় স্ক্রিন নয়। স্ক্রিন না থাকলে শিশু খিদে ও পেট ভরা বুঝে মন দিয়ে খায়।
যা সাধারণত উল্টো ফল দেয়
- জোর করা, না চাইলেও মুখে তুলে খাওয়ানো বা খাবার নিয়ে পেছনে পেছনে ঘোরা।
- সবজি খেলে মিষ্টি দেওয়ার পুরস্কার।
- চাইলেই প্রতিবার আলাদা রান্না করা।
কখন পরামর্শ নেবেন
শিশুর ওজন কমলে বা প্রত্যাশামতো না বাড়লে, খাবারে প্রায়ই ওয়াক করে, গলায় আটকে যায় বা বমি করে, খুব অল্প কয়েকটি খাবারই খায় এবং তালিকাটি আরও ছোট হতে থাকে, অথবা খাওয়ার সময় তীব্র কষ্ট হয়—তাহলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন। কারণ অনুযায়ী চিকিৎসক পুষ্টিবিদ, স্পিচ ও ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্ট বা অকুপেশনাল থেরাপিস্টকে যুক্ত করতে পারেন।
তথ্যসূত্র ও আরও পড়ুন
- Ellyn Satter Institute — Division of responsibility in feeding
- NHS — Fussy eaters
